Posts

আবারও নতুন বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

Image
  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অবকাঠামো ও শিল্প থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে তাদের সেবা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। তিনি বলেন, একটি বৃহত্তর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে আইডিইবি এই দক্ষ কর্মীবাহিনীকে লালন-পালন, কারিগরি শিক্ষার প্রচার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে। ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষ্যে শুক্রবার এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনের সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আইডিইবি প্রতিবছর ৮ নভেম্বর ‘গণপ্রকৌশল দিবস’ পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘দক্ষ জনশক্তি-দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’। প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, একটি জাতির প্রকৃত শক্তি কেবল তার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেই নয়, বরং তার জনগণের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজ...

নিজের অফিসের সেই ‘গোপন কক্ষে’ যা করা হত জানা গেল

Image
  হেড লাইন: বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টসের (বিআরআইসিএম) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মালা খান নিজের অফিসের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন কক্ষের নিয়ে মুখ খুলেছেন। একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেছেন, তার অফিসের আলোচিত গোপন কক্ষ আসলে গোপন ছিল না। এ বিষয়ে ওই অফিসের সবাই জানতেন। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা মহাব্বত (ঘাইনঞ্জানি) গ্রামের আবুল ফজল খানের মেয়ে মালা খান। বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকায় লেখাপড়া করেন এবং বড় হন। তার চাচা গরু ব্যবসায়ী তোফাজ্জল খানের মাধ্যমে এলাকায় জমি ক্রয় ও গরু-ছাগল বেচাকেনা করতেন মালা খান। এলাকার কিছু লোককে সরকারি-বেসরকারি চাকরিও দিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি তার অফিসে গোপন কক্ষ থাকার খবর দেখে অবাক হন স্থানীয়রা। সরেজমিনে অলোয়ার নিকলা মহাব্বত এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, বিআরআইসিএমের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মালা খানের তিন মেয়ের মধ্যে দুই মেয়ে কানাডায় পড়াশোনা করছেন। তার স্বামী মোস্তফা আনোয়ারও একজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে তিনি দুই মেয়ের সঙ্গে কানাডায় বসবাস করছেন। তবে গুঞ্জন রয়েছে, স্বামী ও মেয়েদের জন্য কানাডায় বাড়ি কিনেছেন ...

স্যার আমি আস্তে করি, চেষ্টা করি যেন বেশি ব্যথা না পায়

Image
  ক্লাস রুটিন আর পরীক্ষার রুটিনের বাইরে ভিন্ন রকম এক রুটিন চালু করেছে রাঙ্গুনিয়ার এক কওমি মাদরাসাশিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন (নাছির হুজুর)। কোন রাতে কোন ছাত্রকে বলা’ৎকার করা হবে তা রীতিমতো রুটিনের মতো করে ঠিক করে রেখেছিলেন এই শিক্ষক। উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের শাহ আহমদীয়া আজিজুল উলুম মাদরাসার এই শিক্ষক ছোট ছেলেশিশুদের প্রতি প্রবলভাবে আসক্ত। এই কাম’না চরি’তার্থ করতে তিনি প্রতি রাতে নতুন নতুন শিশু ব্যবহার করে আসছেন। নিউজটি সম্পন্ন পড়ুন দেশের জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা কালেরকণ্ঠ থেকে । ক্লিক করুন।

হঠাৎ মিমকে সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের কল, অতঃপর...

Image
  ১৯৯৫ সালের ২৩ আগস্ট রাতের কথা, ঢাকা থেকে রাতে ঠাকুরগাঁওগামী বাসে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন ইয়াসমিন নামে এক কিশোরী। বাসের স্টাফরা ভোররাতে তাকে দিনাজপুর-দশমাইল মোড়ে এক চায়ের দোকানদারের জিম্মায় দিয়ে সকাল হলে দিনাজপুরগামী বাসে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর কোতোয়ালি পুলিশের টহল পিকআপ আসে। বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে জোর করে মেয়েটিকে পিকআপে তুলে নেয়। পথে কিশোরীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে লাশ ফেলে দেয় মহাসড়কে।   এ ঘটনা কেন্দ্র করে সৃষ্ট দিনাজপুরবাসীর প্রতিবাদ আন্দোলনে ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট দিনাজপুর ছিল উত্তাল। পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সাত আন্দোলনকারী। আহত হন দুই শতাধিক। দিনাজপুরসহ সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। সেই ইয়াসমিনের চরিত্রে অভিনয় করবেন মিম। ছবির নাম রাখা হয়েছে— ‘আমি ইয়াসমিন বলছি।’ গত বছর এসেছিল খবরটি। শিগগিরই শুটিং করার কথা জানিয়েছিলেন পরিচালক। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। এবার জানা গেল ছবিটির কাজ আটকে দিয়েছিলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ওরফে ডিবি হারুন। সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন পরিচালক সুমন ধর নিজেই। সুমন জানান ...

এবার মিম এবং হারুনের গোমর ফাঁস, খাইয়ে হইচই ফেলে দিতেন

Image
  ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ওরফে ডিবি হারুন। নানা কারণেই আলোচনায় থাকতেন তিনি। ডিবি অফিসে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে তারকাদের দাওয়াত দিয়ে খাইয়ে হইচই ফেলে দিতেন। একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিমকেও ফোন করেছিলেন হারুন। এতে ঘাবড়ে যান পরাণ’খ্যাত নায়িকা। সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে মিম বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপে কল দেখে একটু ঘাবড়ে যাই। তিনি (হারুন অর রশীদ) কেন আমাকে ফোন করবেন? ভাবতেও পারিনি যে আমার কাছে এমন একটি ফোনকল সেদিন আসবে আর বলা হবে যে ছবিটিতে অভিনয় করতে পারব না। যখন তিনি বললেন, “তোমার পরিচালক আমার সামনে বসা, ” তখন বুঝতে বাকি থাকেনি যে ছবিটা বোধ হয় আর হবে না। পরিচালক বের হওয়ার পর ফোন করে তা নিশ্চিত হই। সব মিলিয়ে মনটা খুব খারাপ হয়। শিল্পীর জীবনে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ সব সময় আসে না। আসার পর যখন আবার তা থেকে বঞ্চিত হতে হয়, তখন মন খারাপ হয়।’ মূলত ‘আমি ইয়াসমিন বলছি’ নামে একটি সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছিলেন পরিচালক সুমন ধর। সিনেমার গল্পটি ছিল সত্য ঘটনা নিয়ে। ১৯৯৫ সালের ২৩ আগস্টের রাতে ঢাকা থেকে রাতে ঠাকুরগাঁওগামী বাসে দিন...

ফের বিয়ে করলেন সানাই, দেনমোহরের অঙ্ক জানলে আঁতকে উঠবেন

Image
  আবারও বিয়ে করেছেন তথাকথিত চিত্রনায়িকা সানাই মাহবুব। রবিবার পারিবারিকভাবে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। সানাইয়ের নতুন স্বামীর নাম সোহেল এফ খান। তিনি সুইডেন প্রবাসী ব্যবসায়ী। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন সানাই নিজেই৷ তিনি বলেন, ‘সোহেলের বাড়ি কুমিল্লা। গত এক বছর ধরে আমাদের চেনা-জানা। তবে এটা ঠিক প্রেম না। পরিচয়ের পর আমাদের মধ্যে ভালো একটা বন্ধুত্ব তৈরি হয়। নিয়মিত যোগাযোগ এবং দেখা হতো। একটা পর্যায়ে আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ঘরোয়াভাবে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ সানাইয়ের এই বিয়ের পাশাপাশি আলোচনার তুঙ্গে দেনমোহরের পরিমাণ। সেই অঙ্কটা জানলে আঁতকে উঠবেন যে কেউ। বিশেষ এক সূত্র বলছে, ১ কোটি ১ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে এই বিয়েটা করেছেন সানাই। এ সংক্রান্ত একটি নিউজ তিনি ফেসবুকে শেয়ারও দিয়েছেন। এর আগে ২০২২ সালের ২৭ মার্চ আবু সালেহ মুসা নামে এক ব্যাংকারকে বিয়ে করেছিলেন আলোচিত এই মডেল-অভিনেত্রী। তবে সেই বিয়ে বেশিদিন টিকেনি। এক বছরের মাথায় তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর সানাই চাকরিতে মন দেন। অনেক দিন ধরেই কাজে অনিয়মিত তিনি। সূত্র : ঢাকাটাইমস

ঢাবির শিবির সভাপতি পরিচয়ে দেয়া যুবকের পরিচয় পাওয়া গেল

Image
  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি দাবি করে সাদিক কায়েম নামে এক শিক্ষার্থীর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৪টায় প্রকাশিত এ পোস্টের মধ্যদিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঢাবির শিবির সভাপতির নাম প্রকাশ্যে এলো। জানা গেছে, সাদিক কায়েম নামের ওই শিক্ষার্থী ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হিসেবেও এতদিন পরিচিত ছিলেন তিনি। ঢাবির শিবির সভাপতি পরিচয়ে দেয়া পোস্টে কায়েম বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শোষণ শুধু ছাত্ররাজনীতি নয়, রাজনীতির সংজ্ঞাই পালটে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদে কোনো রাজনীতি থাকে না। বিরাজনীতি ফ্যাসিবাদের ভাষা। ফ্যাসিবাদ ছাড়া সকল বাদ, ইজম ও রাজনীতি ফ্যাসিবাদে অনুপস্থিত থাকে। ফ্যাসিবাদে কোনো রাজনীতি নাই, শুধু ফ্যাসিবাদই আছে। টেন্ডারবাজি, গুম, খুন, ক্রসফায়ার, ফাঁসি, ধর্ষণ, রাহাজানি, দুর্নীতি এসব রাজনীতি না। এগুলো ফ্যাসিবাদ।’ পোস্টে তিনি চব্বিশের চেতনা নিয়ে আগামী দিনে ছাত্ররাজনীতি পরিচালিত হবে উল্লেখ করে লিখেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদের গত ১৬ বছরের ভয়ঙ্কর দিনগুলো কিংবা তারও পূর্বের অনাকাঙ্ক্ষি...